Timeline & Updates

Krishnapada Debnath

1 month ago

সর্বোচ্চ কুশি মানে সর্বোচ্চ ফলন

View on Facebook

Roton kumar ray

1 month ago

কৃষি ট্যাবলেট

View on Facebook

Krishnapada Debnath

1 month ago

লাউ চাষের প্রজেক্ট

View on Facebook

Krishnapada Debnath

1 month ago

লাউ চাষের প্রজেক্ট

View on Facebook

Roton kumar ray

1 month ago

ধান গাছের পোকা রোধে

View on Facebook

Sri jodu nodon kajol roy

1 month ago

মোজাইক ভাইরাসে আসলে কি করবেন

View on Facebook

Krishnapada Debnath

1 month ago

মরিচের ফুল ঝরা রোধে করণীয়

View on Facebook

Krishnapada Debnath

1 month ago

লাউয়ের সম্পূর্ণ আদর্শ স্প্রে শিডিউল ✅​১. বীজ বপনের ৭-১০ দিন পর (প্রাথমিক সুরক্ষা) 🌱 ​এই সময় চারাকে গোড়া পচা রোগ থেকে রক্ষা করা জরুরি। ​ছত্রাকনাশক: কার্বেন্ডাজিম (যেমন: নোইন বা অটোস্টিন) — ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে। ​কাজ: গোড়া পচা রোধ এবং চারার সতেজতা নিশ্চিত করা। ✅​২. চারা রোপণের ২০-২৫ দিন পর (শাখা বৃদ্ধি ও পোকা দমন) 🌿 ​এই সময় লেদা পোকা বা পামকিন বিটলের আক্রমণ হতে পারে। ​কীটনাশক: সাইপারমেথ্রিন (যেমন: সাইপেরিন, রেলোথ্রিন) — ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। ​ছত্রাকনাশক: ম্যানকোজেব + মেটালাক্সিল (যেমন: রিডোমিল গোল্ড) — ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে। ​কাজ: পাতা পোড়া রোগ রোধ এবং পোকা দমন। ✅​৩. ফুল আসার ঠিক আগে (৩৫-৪০ দিন পর) 🌼 ​ফুলের সংখ্যা বাড়াতে এবং মাকড় দমন করতে এই স্প্রে জরুরি। ​পিজিআর/ভিটামিন: ফ্লোরা বা মিরাকুলান — ১.৫ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। ​মাকড়নাশক: অ্যাবামেকটিন (যেমন: ভার্টিমেক) — ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। ​কাজ: অধিক স্ত্রী ফুল আনা এবং পাতা কোঁকড়ানো রোধ করা। ✅​৪. ফল সেট হওয়ার সময় (৫০-৫৫ দিন পর) ​মাছি পোকা (Fruit Fly) দমনে এই সময় সবথেকে বেশি সতর্কতা প্রয়োজন। ​কীটনাশক: ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন (যেমন: ক্যারাটে) — ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। ​সতর্কতা: মাছি পোকার জন্য অবশ্যই 'ফেরোমন ফাঁদ' ব্যবহার করবেন। স্প্রে দিয়ে মাছি পোকা ১০০% দমন করা কঠিন। ​ছত্রাকনাশক: পাউডারি মিলডিউ দমনে ৮০% সালফার (যেমন: থিওভিট) — ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে। ✅​৫. ফল বড় হওয়ার পর (৭০-৭৫ দিন পর) 🍈 ​ফলের পচন রোধ এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই যত্ন নিতে হবে। ​ছত্রাকনাশক: ডাইফেনোকোনাজল + অ্যাজোক্সিস্ট্রবিন (যেমন: এমিস্টার টপ) — ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। ​সার (সলোবর বোরন): ১.৫ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে (ফল ফাটা রোধে)। ✅৬. লাউ চাষের টুজি থ্রিজি কাটিং করতে হবে, এনিয়ে ভিডিও অনেক পেজে দেয়া হয়েছে। পেজের সাথে থাকুন আরো আরো অনেক পরামর্শ পাবেন শীঘ্রই৷ ​⚠️ কিছু বিশেষ পরামর্শ ​স্প্রে করার সময়: সবসময় সকালে রোদ ওঠার আগে অথবা বিকেলে রোদের তেজ কমে গেলে স্প্রে করবেন। তীব্র রোদে স্প্রে করলে পাতা পুড়ে যেতে পারে ☀️🚫। ​সাবধানতা: বিষ প্রয়োগের পর কমপক্ষে ৭-১০ দিনের মধ্যে সেই সবজি তোলা বা খাওয়া যাবে না 🧪❌। ​মিশ্রণ: কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক একসাথে মেশানোর সময় আগে বালতিতে আলাদাভাবে গুলে নিয়ে তারপর ড্রামে মেশান।

View on Facebook

Krishnapada Debnath

3 months ago

মোজাইক অথবা জেমিনি ভাইরাস বেগুনের বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ক্ষতিকর রোগ।এই রোগের কারণে বেগুন চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কোন কিছুতেই সমাধান পাচ্ছেন না। রোগটি এতটাই খারাপ যে দ্রুত সমস্ত জমিতে ছড়িয়ে পড়ে, ফলন কমে যায় এবং বাজার মূল্য ও অনেক কম হয়। সম্পূর্ণভাবে সাড়ে না। তবে নতুন করে ছড়াবেনা ✅ পাকলু (সিমবায়োসিস কোম্পানী) প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ মিলি হারে স্প্রে ✅ বায়ো এনভির (ইস্পাহানী কোম্পানী) প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে স্প্রে এই রোগ মূলত ছড়ায় শোষকশ্রেণীর পোকার কারণে তাই জাবপোকা, থ্রিপ্স পোকা কন্ট্রোল করলেই এই রোগ ছড়াবেনা। এই পোকাগুলো কন্ট্রোল করতে ইমিডাক্লোরপিড গ্রুপের কীটনাশক ✅কনফিডর ✅টিডো ✅ ইমিটাফ এগুলো প্রতি লিটার পানিদে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন। যদি কাজ না হয় তাহলে এসিটামিপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক ✅ তুন্দ্রা ✅ নাইজ ✅ কার্টাপ্রিড ✅প্লাটিনাম প্রতি লিটার পানিতে ০.৫- ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন। জমি পরিষ্কার পরিচ্ছন রাখুন৷

বেগুনের মোজাইক অথবা জেমিনি ভাইরাস

Krishnapada Debnath

4 months ago

বস্তায় আদা চাষ করার পদ্ধতি ও উপকরণের তালিকা

🌱 বস্তায় আদা চাষ করার পদ্ধতি ও উপকরণের তালিকা : 🥔 ​অল্প জায়গায় বা বাড়ির ছাদে খুব সহজেই বস্তায় আদা চাষ করা সম্ভব। একটি বস্তায় আদা চাষ করতে হলে নিচের উপকরণগুলো সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে: ​📦 প্রয়োজনীয় উপকরণ (প্রতি বস্তার জন্য): • ​বীজ আদা: ৫০-৬০ গ্রাম 🫚 • ​মাটি: ১২ কেজি 🪴 • ​জৈব সার: ৫ কেজি 🍃 • ​ভার্মিকম্পোস্ট: ১-২ কেজি ✨ • ​ছাই: ১ কেজি 🪵 • ​ইউরিয়া: ২০ গ্রাম ⚪ • ​টিএসপি (TSP): ২০ গ্রাম 🔘 • ​এমওপি (MOP): ১৫ গ্রাম 🔴 • ​দানাদার কীটনাশক: ৫ গ্রাম 🛡️ • ​দস্তা: ৫ গ্রাম 🧂 • ​বোরন: ৫ গ্রাম ❄️ ​🛠️ প্রস্তুত প্রণালী: ​১. মিশ্রণ: উপরের সবকটি উপকরণ একসাথে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। 🥣 ২. অপেক্ষা: মিশ্রণটি ১৫-২০ দিন ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে দিন যাতে মাটির গুণাগুণ ঠিক হয় এবং উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। ⏳ ৩. বপন: সময় পূর্ণ হলে মিশ্রণটি বস্তায় ভরে সেখানে আদার বীজ সঠিক নিয়মে বপন করুন।
View on Facebook

Krishnapada Debnath

4 months ago

পেঁপের বীজ থেকে চারা তৈরির সহজ উপায়

🥭 পেঁপের বীজ থেকে চারা তৈরির সহজ উপায় ​গ্রীষ্মকাল পেঁপের চারা তৈরির সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। ভালো জাতের পাকা পেঁপে থেকে মাত্র ২০-২৫ দিনেই ঘরে বসে তৈরি করতে পারেন শক্তিশালী ও দ্রুত বর্ধনশীল চারা। ঙ ✅​১. বীজ সংগ্রহ ও প্রস্তুতি ​সংগ্রহ: একটি সম্পূর্ণ পাকা ও সুস্থ পেঁপে থেকে বীজ সংগ্রহ করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিন। ​শুকানো: ধোয়া বীজগুলো ১ দিন ছায়ায় শুকিয়ে নেওয়ার পর বপনের জন্য ব্যবহার করুন। ✅​২. মাটি প্রস্তুত (অনুপাত ২:১:১) ​পলিব্যাগে চারা তৈরির জন্য নিচের উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিন: ​ঝুরঝুরে মাটি — ২ অংশ ​ভার্মিকম্পোস্ট — ১ অংশ ​মোটা বালি — ১ অংশ ✅​৩. বীজ বপন ও অঙ্কুরোদগম ​পলিব্যাগের মাটিতে ১ সেমি গভীরে বীজ বপন করুন। ​স্প্রে দিয়ে হালকা পানি দিন। ৭-১০ দিনের মধ্যে চারা গজাবে। ✅​৪. গ্রীষ্মকালীন যত্ন ও রোদ ​পানি: মাটি শুকিয়ে গেলে হালকা পানি দিন, অতিরিক্ত পানি দেওয়া যাবে না। ​রোদ: অঙ্কুর বের হওয়ার পর প্রতিদিন ৫-৬ ঘণ্টা সকালের রোদ দিন। ​স্থানান্তর: চারা বড় ও শক্তিশালী হলে বড় ড্রাম বা মাটিতে প্রতিস্থাপন করুন। ​🎯 প্রধান উপকারিতা: ​২০-২৫ দিনেই রোপণযোগ্য শক্তিশালী চারা তৈরি হয়। ​গাছের বৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং অল্প সময়ে ফলন পাওয়া যায়।
View on Facebook

Krishnapada Debnath

7 months ago

#সরিষারক্ষতিকরপোকাদমন

View on Facebook

Srot BD – Empowering Every Step of Agriculture

👉 বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য ফ্রি কৃষি পরামর্শ ও সমাধান প্ল্যাটফর্ম
👉 “Ask experts. Solve crop problems. Improve yield.”