#সরিষারক্ষতিকরপোকাদমন
ব্লাস্ট_রোগ,#পাতাপোড়া_রোগ
বাংলাদেশে ধান চাষে সেচ সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব একটি চমৎকার পদ্ধতি হলো AWD (Alternate Wetting and Drying) বা পর্যায়ক্রমে ভেজানো ও শুকানো পদ্ধতি। এটি মূলত পানির অপচয় কমিয়ে ফলন ঠিক রাখার একটি বৈজ্ঞানিক কৌশল। নিচে AWD প্রযুক্তির বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ১. AWD প্রযুক্তি কী? সাধারণত ধান খেতে সবসময় পানি জমিয়ে রাখা হয়। কিন্তু AWD পদ্ধতিতে সারাক্ষণ পানি জমিয়ে না রেখে মাটির ভেতরের পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দেওয়া হয়। এতে একদিকে যেমন পানি সাশ্রয় হয়, অন্যদিকে গাছের শিকড় গভীরে গিয়ে ধান গাছকে মজবুত করে। ২. প্রয়োজনীয় উপকরণ: 'পানি পাইপ' এই পদ্ধতির প্রধান সরঞ্জাম হলো একটি ২৫ সেমি (১০ ইঞ্চি) লম্বা এবং ৭-১০ সেমি (৩-৪ ইঞ্চি) ব্যাসের প্লাস্টিক বা পিভিসি পাইপ। পাইপটির নিচের ১৫ সেমি ছিদ্রযুক্ত থাকে এবং উপরের ১০ সেমি ছিদ্রহীন থাকে। ৩. ব্যবহারের নিয়মাবলী পাইপ স্থাপন: চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর জমিতে পাইপটি এমনভাবে পুঁততে হবে যেন নিচের ছিদ্রযুক্ত ১৫ সেমি মাটির নিচে থাকে এবং উপরের ১০ সেমি মাটির ওপরে থাকে। পর্যবেক্ষণ: পাইপের ভেতরের মাটি সরিয়ে ফেলতে হবে যাতে ভেতরে পানি দেখা যায়। সেচ প্রদান: যখন পাইপের ভেতরে মাটির নিচে পানির স্তর ১৫ সেমি নিচে নেমে যাবে (অর্থাৎ পাইপের তলায় পানি থাকবে না), তখন জমিতে পুনরায় ৫ সেমি (২ ইঞ্চি) পরিমাণ সেচ দিতে হবে। চক্র পুনরাবৃত্তি: এভাবে পর্যায়ক্রমে জমি ভেজানো এবং শুকানো পদ্ধতি চলবে। ৪. গুরুত্বপূর্ণ কিছু সতর্কতা সব সময় এই পদ্ধতি অনুসরণ করা যাবে না। বিশেষ কিছু সময়ে জমিতে পানি রাখা জরুরি: চারা রোপণের পর: চারা স্থাপনের প্রথম ২ সপ্তাহ। ফুল আসার সময়: যখন ধান গাছ থোড় অবস্থা থেকে ফুল ফোটায় (Flowering stage), তখন জমিতে অবশ্যই ২-৩ ইঞ্চি পানি থাকতে হবে। আগাছা দমন: জমিতে আগাছানাশক দেওয়ার সময় বা নিড়ানি দেওয়ার সময় পানি থাকা প্রয়োজন
👉 বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য ফ্রি কৃষি পরামর্শ ও সমাধান প্ল্যাটফর্ম
👉 “Ask experts. Solve crop problems. Improve yield.”