এই ধরনের রোগকে কি রোগ বলে

md. Ridhoy islam
md. Ridhoy islam
15 Oct, 2026 8 Views

তাড়াতাড়ি সমাধানটা দিলে ভালো হয় 

Share

Answers (1)

SROT Expert

SROT Expert

16 Oct, 2026
ছবিতে ধানের শীষে যে ধরনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তা সাধারণত ধানের দানা বিবর্ণ হওয়া রোগ (Grain Discoloration) অথবা ব্যাকটেরিয়াজনিত শীষপোড়া রোগ (Bacterial Panicle Blight)-এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। বিভিন্ন ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের কারণে ধানের দানা ও কুঁড়িতে এই ধরনের কালচে, লালচে বা বাদামী রঙের দাগ পড়ে এবং ধান চিটা হয়ে যায়। জমি ভালোভাবে তদারকি করার জন্য নিচে এর প্রধান কারণ ও সাধারণ কিছু প্রতিকার উল্লেখ করা হলো: 🌾 রোগের প্রধান কারণ ও লক্ষণ • দানা বিবর্ণ হওয়া (ছত্রাকজনিত): আর্দ্র ও মেঘলা আবহাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকের আক্রমণে ধানের দানার উপর লাল, বাদামী, কালচে বা ধূসর রঙের দাগ পড়ে। এর ফলে চালের গুণগত মান নষ্ট হয় এবং ফলন কমে যায়। • ব্যাকটেরিয়াজনিত শীষপোড়া: Burkholderia glumae ব্যাকটেরিয়ার কারণে এটি হতে পারে। এতে আক্রান্ত দানা হালকা থেকে মাঝারি বাদামী রঙের হয় এবং শীষ সাধারণত সোজা হয়ে খাড়া থাকে। 🛠️ রোগ দমনের উপায় ও প্রতিকার ১. সুষম সার প্রয়োগ: জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া সার ব্যবহার করা যাবে না। ইউরিয়া বেশি দিলে এই রোগের আক্রমণ বাড়ে। থোড় অবস্থায় বিঘাপ্রতি ৫-৭ কেজি পটাশ (MOP) সার উপরি প্রয়োগ করলে গাছ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পায়। ২. ছত্রাকনাশক স্প্রে: রোগটি যদি ছত্রাকজনিত কারণে ছড়ায়, তবে থোড় বা ফুল ফোটার শুরুতে প্রপিকোনাজল (যেমন: টিল্ট), কার্বেন্ডাজিম (যেমন: অটোস্টিন/ব্যাভিস্টিন) কিংবা টেকনোভা/নাটিভো জাতীয় ছত্রাকনাশক অনুমোদিত মাত্রায় প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। ৩. বীজ শোধন ও পরিষ্কার চাষাবাদ: পরবর্তী মৌসুমে চাষের জন্য সুস্থ গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। বপনের আগে বীজ শোধন করা জরুরি। এছাড়া আক্রান্ত ফসলের নাড়া বা খড়কুটা জমিতে পুড়িয়ে ফেলা উচিত যেন জীবাণু পরবর্তী ফসলে না ছড়ায়।

Srot BD – Empowering Every Step of Agriculture

👉 বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য ফ্রি কৃষি পরামর্শ ও সমাধান প্ল্যাটফর্ম
👉 “Ask experts. Solve crop problems. Improve yield.”